ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হওয়ার পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন

ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কাজ করা অন্য কোন পেশায় কাজ করার মত নয়। এখানে আপনার প্রতিটি সেকেন্ড এর জন্য অর্থ দেয়া হয়। কাজ করতে চাইলেই কাজ করা যায় না। তাই মূলত প্রফেশনাল হওয়া ছাড়া এই সেক্টরে কাজ করা বা নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব নয়। তবে নূতন কেউ কোন কাজ না জানলেও সে যদি ভালোভাবে কাজ শিখে নেয় তবে সে এই সেক্টরে কাজ শুরু করতে পারে। কিন্তু কি কাজ শিখলে ভালো হবে, কোথা থেকে শিখলে ভালো হবে, কিভাবে শিখলে ভালো হবে তা নিয়ে অনেকের অনেক সংশয় থেকে যায়। তাই মূলত একদম নূতনদের জন্য একটি পরিপূর্ণ পথনির্দেশনা নিয়ে লেখা হলঃ

কোন কাজ প্রফেশনালি শিখার একদম প্রাথমিক পর্যায়ে যে বিষয়গুলো ভালোভাবে জানা প্রয়োজন –

১। শুরুতেই প্রফেশনাল হবেন এই কথা ভাবা উচিৎ নয়।

২। শুরুতেই কোথায়/কিভাবে প্রফেশনালি শিখা যাবে তা ভাবা উচিৎ নয়।

৩। শুরুতেই অন্ধের মত প্রতিনিয়ত কাজ শেখা উচিৎ নয়।

৪। শুরুতেই প্রফেশনালি কাজ করবেন তা ভাবা উচিৎ নয়।

৫। শুরুতেই এই কাজ শিখে উপার্জন করবেন তা ভাবা উচিৎ নয়।

 ফ্রিল্যান্সিং শিখার সেরা ১০টি বই

কি কাজ শিখবেন তা যদি বুঝতে না পারেন –

শুরুতেই প্রফেশনাল হবেন এই কথা ভাবা উচিৎ নয়

১। প্রথমেই কি কি কাজ করা যায় তার নাম গুলো জানুন।

২। নিজের কিছু ধারনা থাকলে ভালো, না থাকলে প্রতিটি কাজ সম্পর্কে গুগলে এবং ইউটিউবে খুজে দেখুন। গুগলে খুজুন এই কাজ কেন করা হয়। এবং ইউটিউবে খুজুন এই কাজ কিভাবে করা হয়।

৩। প্রথমেই শেখার জন্য পরিকল্পনা করবেন না। সাধারন ভাবে জানুন এবং দেখুন। নিজের কাছেই প্রশ্ন করুন আপনি যা দেখলেন তা আপনার ভালো লাগে কিনা এবং আপনি বুঝতে পারছেন কিনা ভালোভাবে।

 ৪। সব কাজ সবার কাছে ভালো লাগবেনা/ভালো বুঝবেন না। তাই যে কাজ গুলো ভালো লাগে এবং বুঝতে পারছেন সেই কাজ গুলোর ছোট্ট একটি লিস্ট করুন।

৫। এবার চলে আসুন মার্কেটপ্লেসে। তবে কাজ করতে নয়। আসবেন কাজের ব্যাপারে প্রফেশনাল কিছু তথ্য নিতে। যার উপর ভিত্তি করে আপনি কোন কাজটি/কাজগুলো শিখবেন তার সিদ্ধান্ত নিবেন।

৬। মার্কেটপ্লেস এ অ্যাকাউন্ট করুন। এই অবস্থায় আপনার প্রোফাইল ১০০% না করলেও চলবে।

৭। আপনি আপনার ভালো লাগার কাজের যে ছোট্ট লিস্টটি করেছেন ওই কাজ গুলো খুজুন। কাজের ধরন নির্দিষ্ট করে আপনি কাজ খুজতে পারবেন। তাই কাজ গুলো খুজুন এবং এই ধরনের কাজ কতটা পাওয়া যায়/চাহিদা আছে, কাজের মূল্য কেমন, কতজন প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছে তা দেখুন। একটি দুইটি নয়, বরং প্রতি ধরনের কাজের ৫০-১০০ টি জব পোস্ট দেখুন। আপনার ছোট্ট লিস্টে যে সকল কাজ গুলো রয়েছে তার সব ধরনের কাজের জব পোস্ট গুলো দেখুন।

৮। সব কিছু দেখার এবং বোঝার পর একটি অথবা আরো বেশি (যদি আপনি চান) কাজ নির্ধারণ করুন যে আপনি কোন কাজটি শিখবেন।

কাজ শিখতে গিয়ে যেভাবে পরিকল্পনা করবেন –

শুরুতেই কোথায়/কিভাবে প্রফেশনালি শিখা যাবে তা ভাবা উচিৎ নয়

১। প্রথমেই কোথা থেকে কাজ শিখলে ভালো হবে তা নিয়ে চিন্তিত হবেন না। ঘোরাঘুরি শুরু করবেন না। মূলত প্রাথমিক শিক্ষাগুলো আপনি যে কোন জায়গা থেকে নিতে পারেন। গুগলে খুজুন। যে কোন একটি সাইট থেকে প্রাথমিক শিক্ষা নিন।

২। সাইটে কতটা ভালো তথ্য দেয়া আছে তা নিয়ে সংশয়ে থাকার প্রয়োজন নেই।
৩। প্রথম দিন-ই অনেক উৎসাহ নিয়ে কাজ শিখতে নেমে পড়বেন না।

৪। সর্বপ্রথম আপনি যে কাজটি করতে যাচ্ছেন, কাজের পুরো কোর্সটি সম্পর্কে জানুন। যেখানেই কাজ শিখুন না কেন পুরো কোর্স এর একটি সিলেবাস দেয়া থাকে।

৫। আবারো বলছি প্রথমদিন-ই অনেক উৎসাহ নিয়ে কাজ শিখতে নেমে পড়বেন না।

৬। সিলেবাস এবং কাজের পুরো বিষয়গুলো সাইট থেকে একটু ঘেঁটে দেখুন যে কোন টপিকটি কত বড়, ইত্যাদি। ভিডিও হলে টেনে টেনে দেখুন প্রয়োজনে, আর শুধু লেখা হলে পাতা লাফ দিয়ে লাফ দিয়ে দেখুন। আমি দেখতে বলেছি। শিখতে বলিনি।

 ৭। আপনি মোটামুটি একটি ধারনা পেয়েছেন যে কাজটি শিখতে গেলে আপনার সিলেবাস এ কি কি আছে এবং সিলেবাসের কোন বিষয়গুলো কেমন বড় অথবা ছোট। এবার এই চিন্তা গুলো থেকেই পুরো সিলেবাসটিকে ভাগ করে নিন/ টপিক সিলেবাস অনুযায়ী অনুসরন করুন এবং একটি পরিকল্পনা করে নিন প্রতিটি ভাগের সময় এর ব্যাপারে। তবে সময় নির্ধারণ এর ক্ষেত্রে কিভাবে কাজ শেখা উচিৎ তা জেনে নেয়া ভালো।

কিভাবে কাজ শিখবেন?

(শুরুতেই অন্ধের মত প্রতিনিয়ত কাজ শেখা উচিৎ নয়)

১। আপনার পরিকল্পনা অনুযায়ী একটি একটি ভাগ করে শুরু করুন। সর্ব প্রথম আপনি ওই ভাগের/টপিকের পুরো ভিডিওটি দেখুন মন দিয়ে/পুরো লেখাটি পড়ুন মন দিয়ে। সাধারনত আমরা যেভাবে মুভি দেখি/গল্প পড়ি। এর মধ্যে আপনি অনেক ধারনা পেয়ে যাবে এই ভাগের ব্যাপারে।

২। যেহেতু একবার দেখেছেন/পড়ছেন তাই আপনার মাঝে মোটামুটি একটি ধারনা রয়েছে। মূলত কাজ শেখার অধ্যায়টি আপনি নিজের অজান্তেই শেষ করেছেন। এবার আবার এই ভাগ/টপিক টি প্রথম থেকে শুরু করুন। দেখুন/পড়ুন এবং পাশাপাশি নিজে নিজে করতে চেষ্টা করুন।

৩। আপনি কোর্সটির মোটামুটি ১০% অথবা ২৫% অথবা ৫০% শিখে ফেলেছেন পাশাপাশি নিজে নিজে চর্চা করেছেন। এখন মোটামুটি ভাল একটি ধারনা আছে। এবার টপিক অনুযায়ী আলাদা আলাদা ভাবে চর্চা করে কাজ শিখলেও এই ১০% অথবা ২৫% অথবা ৫০% এর সব কিছু দিয়ে কিছু একটি করার চেষ্টা করুন। আমি বলছিনা পুরোপুরি একটি কাজ করতে। শুধুমাত্র যা শিখেছেন তা দিয়ে গোছান একটি কাজ যতটুকু করা যায়।

এ জন্য ভালো একটি উদাহরন হচ্ছে – ৪ কি.মি রাস্তার মধ্যে ১ কি.মি যেতে পারলে অতটুকুই যান। শুধু নিজেকে তুলে ধরুন যে আপনি যতটুকু শিখেছেন তা আলাদা আলাদা টপিক অনুযায়ী কাজ জানলেও, চাইলে আপনি তার সবকিছু মিলিয়েও কাজ করতে পারেন।

৪। এভাবে একটি নির্দিষ্ট ভাগ পর পর আগের সব কিছু মিলিয়ে মিলিয়ে কিছু একটি করার চেষ্টা করুন।

৫। পুরো সিলেবাসটি সম্পূর্ণ হলে এবার পুরো একটি কাজ করার চেষ্টা করুন।

কাজ শেখার পর যা করনীয় 

শুরুতেই প্রফেশনালি কাজ করবেন তা ভাবা উচিৎ নয়

১। কাজ শেখা শেষে যে ক্লায়েন্ট এর কাজ করতে হবে এমন চিন্তা করবেন না। এখনো অনেক পথ বাকি।

২। আবারো বলছি পুরো সিলেবাসটি সম্পূর্ণ হলে এবার পুরো একটি কাজ করার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন আপনি পুরো সিলেবাস শেষ করেছেন কিন্তু পুরো কাজটি শিখেননি।

৩। আপনি নিজে থেকে কিছু করতে পারেন বা এই ধরনের কাজ করে এমন ব্যক্তিকে অনুরোধ করুন যে আপনাকে কিছু একটা করতে বলা জন্য। তবে প্রফেশনালি কোন কাজ নয়।

 ৪। আপনি টেস্ট হিসেবে কিছু করুন। এবং দেখুন কোথায় কোথায় আপনার ঘাটতি রয়েছে। ওইগুলো গুগল, ইউটিউব এ খুজে দেখুন।

 কাজ শুরু করার পূর্বে এবং শুরু করার মুহূর্তে যা করনীয় 

শুরুতেই এই কাজ শিখে উপার্জন করবেন তা ভাবা উচিৎ নয়

১। শুরুতেই আপনি মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট করেছিলেন। ওই অ্যাকাউন্টটির প্রোফাইল ১০০% না করে থাকলে তা করে ফেলুন।

২। এবার আপনার কাজ সম্পর্কিত জব পোস্ট গুলো দেখতে থাকুন। শুরুতে দেখবেন আপনার এই কাজের মধ্যে অনেক কিছুই আছে আপনার অজানা। জব পোস্ট গুলো দেখে দেখে বের করুন আপনার আরো কি কি জানা প্রয়োজন। ওগুলো গুগলে, ইউটিউবে খুজুন। করার চেষ্টা করুন।

৩। জব পোস্ট দেখার মাঝে দেখুন এমন কোন জব আছে কিনা যার সম্পূর্ণ কাজটি আপনি আসলেই করতে পারবেন। যদি এমন হয় তবে আপনি এপ্লাই করুন। চেষ্টা করুন কাজটি পাওয়ার।

৪। শুরুর দিকে অনেকটা সময় ধরে আপনার স্কিল বাড়াতে হবে ভালো কাজে এপ্লাই করার মত নিজের অবস্থান তৈরি করতে এবং কাজ করতে।

এখানে যে বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়েছে তা শুধুমাত্র কিভাবে শুন্য থেকে কাজ সম্পর্কিত ক্ষেত্রে নিজেকে প্রফেশনাল করে তুলবেন। এছাড়াও যে বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়নি কিন্তু তা অতীব গুরুত্ব বহন করে তার মধ্যে –

১। আপনার ইংলিশে মোটামুটি দক্ষতা থাকা প্রয়োজন।

২। গুগল এবং ইউটিউবে খুজে দেখে শিখার মত ধৈর্য থাকা প্রয়োজন।

৩। কাজ খোঁজা শুরু করার মুহূর্ত থেকে আপনার প্রোফাইলটি প্রফেশনালি সাজানো প্রয়োজন।

৪। কাজ খোঁজা শুরু করার মুহূর্ত থেকে আপনার কভার লেটারটি প্রফেশনালি লেখা প্রয়োজন।

৫। কাজ খোঁজা শুরু করার মুহূর্ত থেকে ক্লায়েন্টকে বোঝা প্রয়োজন।

৬। এবং কাজ খোঁজা শুরু করার পূর্ব বা পর থেকে কাজ নিজেকে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পরবর্তী সময়ের জন্য ভালো একটি পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন।

এবং উপরে বার বার বলার পর ও সর্বশেষ একটি কথা আবারো বলছি। গুগল (সার্চ ইঞ্জিন) এবং ইউটিউব কে ব্যবহার করুন প্রতিনিয়ত। আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর এখানেই রয়েছে।এখানে মূলত কাজ সম্পর্কে নিজেকে প্রফেশনাল হিসেবে গড়ে তোলার কথা আলোচনা করা হয়েছে।

আইসিটি ক্যারিয়ার গড়তে ১০টি সেরা বাংলা বই

অনলাইনে কাজের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। বাংলাদেশে রেজিস্টার্ড ফ্রিল্যান্সার আছে ৬,৫০,০০০ জনের মত যার মধ্যে প্রতিদিন অন্তত ৫ লক্ষ ফ্রিল্যান্সার এক্টিভ থাকছেন এবং সময় দিচ্ছেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ আয় করছে প্রায় $১০০ মিলিয়ন ডলার। ভারত বিশ্বের সকল ফ্রিল্যান্সার এর ২৪% সাপ্লাই দিয়ে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ সেখানে ১৬% সাপ্লাই দিয়ে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। তৃতীয় অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের ১২%।

অনলাইন কাজের দক্ষতা অর্জন করে অনলাইনে ইনকাম করতে কিছু বইয়ের নাম দিচ্ছি, যা আপনার অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন করে দিবে।

ফ্রিল্যান্সিং গুরু: অনলাইন আয়ের চাবিকাঠি

লেখকঃ মোঃ ইকরাম

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেও যারা ব্যর্থ হয়েছে, তাদের অ্যানালাইস করে দেখা যায়, ফ্রিল্যান্সিংয়ের অলি গলি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানের অভাব ছিলো দেখেই তারা ব্যর্থ হয়েছিলো। কোন কাজটি বর্তমানে বেশি চাহিদা সম্পন্ন, কোন কাজটি করে বেশি ইনকাম করতে পারবেন, কোন কাজটি কিভাবে শিখবেন, কোন মার্কেটপ্লেসে কিভাবে ইনকাম শুরু করা যায়, ফেষবুক হতে কিভাবে ইনকাম করবেন, এরকম অনেক প্রশ্নই শুরুতে নতুনদের কমন প্রশ্ন। এরকম সকল প্রশ্নের উত্তরসহ বাংলা ভাষাতে ফ্রিল্যান্সিং গাইডলাইন বিষয়ক সেরা অভিভাবক হিসেবে এ বইটি সংগ্রহে রাখতে পারেন। ২০১৭তে প্রকাশিত এ বইটি ইতিমধ্যেই বাংলা ভাষাতে প্রকাশিত সেরা ফ্রিল্যান্সিং বই হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত।

বইটি পেতে ভিজিট করুনঃ http://bit.ly/2EdgbG9

আউটসোর্সিং : শুরুটা যেভাবে এবং শুরু করার পর
লেখকঃ মো. আমিনুর রহমান

আউটসোর্সিংয়ে ইতিমধ্যে সফল অনেক ফ্রিল্যান্সারদের শুরুর গল্প এবং বর্তমানে সফল হওয়ার পরের গল্প নিয়ে লেখা হয়েছে এ বই। সফলদের গল্পগুলো পড়লে চলার পথের দিক নির্দেশনা পাওয়া যায়, এবং সেই সাথে কাজের উৎসাহ অনেক বেড়ে যায়। প্রতিটা সফলদের সফলতার পযায়ে আসতে অনেকগুলো ধাপ পার হতে হয়েছে। সেই একই ধাপগুলো প্রতিটা ব্যক্তিরই শুরুর দিকে পার করতে হয়। তাই এ বইটি নতুনদের সাথে সফলদের এক মেলবন্ধন তৈরি করতে পারে।
নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অবশ্যই পাঠ্য একটি বই।


বইটি পেতে ভিজিট করুনঃ http://bit.ly/2UxUoyn

ইনকাম@ফেসবুক
লেখকঃ মো: ইকরাম

ফেসবুক শুধুমাত্র সময় নষ্টের কারিগর নয়। ফেসবুকের নেশাকে পেশা হিসেবেও কাজে লাগিয়ে সারাবিশ্বে প্রচুর মানুষ খুব স্মার্ট ক্যারিয়ার গঠন করেছে। ফেসবুকের দক্ষতা থাকলে লোকাল চাকুরি যেরকম প্রচুর সুযোগ পাওয়া যায়, ঠিক একইভাবে  ঘরে বসে থেকেও ইনকামের ব্যবস্থা করা যায়।  ঘরের মহিলাসহ যে কারও জন্য এ ইনকাম সোর্সটি অনেক উপকারে আসবে।  তাই এ সম্পর্কিত বিস্তারিত জানতে এ বইটি অনেক কাযকরী একটি বই।

বইটি পেতে ভিজিট করুনঃ bit.ly/incomefb19

গল্পে স্বল্পে প্রোগ্রামিং

লেখকঃ মইনুল রাজু

প্রোগ্রামিং মোটামুটি কঠিন এবং কর্কশ একটি সাবজেক্ট হিসেবেই অনেকে মনে করে। এ কঠিন বিষয়টিকে গল্পে গল্পে সহজভাবে উপস্থাপন করার মত জটিল কাজটি করতে সক্ষম হয়েছে মইনুল রাজু। গল্পের ছলে প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপনের কারনে একদম ছোট থেকে বয়স্ক সব শ্রেনীর পাঠকদের কাছে প্রোগ্রামিং বিষয়টি উপভোগ্য হয়ে উঠবে। কঠিন সাবজেক্ট হিসেবে যে ভয়, সেটি আশা করছি বইটি পড়ার এক নিমিষেই দূর হয়ে যাবে।

বইটি পেতে ভিজিট করুনঃ http://bit.ly/2rsyRKn


প্রোগ্রামিংয়ের চৌদ্দগোষ্ঠী
লেখকঃ ঝংকার মাহবুব
বইটির লেখক, ঝংকার মাহবুবের রসবোধের কারনে তার লেখার বিশাল একটি পাঠক শ্রেনী রয়েছে। প্রোগ্রামিং সম্পর্কিত তার সকল বই প্রকাশ হওয়ার আগেই সর্বাধিক অর্ডারকৃত বই হয়ে থাকে। সকল বই মেলাতেও আইটি বিষয়ক বইয়ের ক্ষেত্রে সবচাইতে বেশি বিক্রিত বই হয়ে থাকে এ পাঠকের বই। এ লেখকের এই বইটিও অনেক জনপ্রিয় একটি বই। প্রোগ্রামিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে এ লেখকের সকল বই সংগ্রহে রাখতে আমার পক্ষ হতে বিশেষ সাজেশন রইলো।

বইটি পেতে ভিজিট করুনঃ http://bit.ly/2EmZDwe

হাবলুদের জন্য প্রোগ্রামিং

হাবলুরা পড়ালেখায় হাবলু হলেও, দুনিয়ার সবকিছুতে হাবলু না। ক্লাস ফাঁকি দেওয়ার ফন্দি, শর্টকাটে পাস করার পদ্ধতি, ফ্রেন্ডের পকেট থেকে টাকা খসানোর সিস্টেম, হাবলুদের চেয়ে ভালো কেউ জানে না। তাদের পড়ালেখা মনে না থাকলেও, টিভি সিরিয়ালের কাহিনি, সিনেমার ডায়ালগ, ইন্টারনেটের চিপা-চাপার খবর ঠিকই মনে থাকে। সে জন্যই হাবলুদের মতো করে, চায়ের দোকানের আড্ডার ভাষা দিয়ে, প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়েছে ‘হাবলুদের জন্য প্রোগ্রামিং’ বইটিতে। এ বইটিও ঝংকার মাহমুদের লেখা একটি বই এবং বেষ্ট সেলিং বই।

বইটি পেতে ভিজিট করুনঃ http://bit.ly/2C1NM4a


প্রোগ্রামিং কনটেস্ট ডেটা স্ট্রাকচার ও অ্যালগরিদম
লেখকঃ মো: মাহবুবুল হাসান
জনশ্রুতি রয়েছে যে শান্ত তার বিয়ের দিনও বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করেছে। কাজেই এত দীর্ঘ ক্যারিয়ার ও সময়ে শান্ত কী পরিমান সমস্যা সমাধান করেছে তা আন্দাজ করাও অনেকের পক্ষে কঠিন হবে। এই বইয়ে তাই নানা ধরনের সমস্যা সমাধান এর কথা উঠে এসেছে। বাংলা ভাষায় এমন বই আগে প্রকাশিত হয়নি এমনকি ইংরেজিতে অনুদিত হলেও এই বই যথেষ্ট সমাদৃত।

বইটি পেতে ভিজিট করুনঃ http://bit.ly/2L5QBUI

পাইথন পরিচিতি
লেখকঃ তামিম শাহরিয়ার সুবিন
পাইথন বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। এবং বলা হয় যে, একজন পাইথন প্রোগ্রামিংয়ে অভিজ্ঞ কা্রও পক্ষে বেকার থাকার কোন সুযোগ নাই। প্রচুর চাকুরির অফার রয়েছে তাদের। অনলাইন মার্কেটপ্লেসেও অনেক ডিমান্ড।
এই বইটি পাঠকদের পাইথন নামক চমৎকার প্রোগ্রামিং ভাষার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার দায়িত্বটি ভালোভাবেই পালন করবে। যারা মোটামুটি প্রোগ্রামিং পারে কিন্তু পাইথন ভাষায় কখনো কোড করে নি, এই বই তাদের জন্য উপযোগী।

বইটি পেতে ভিজিট করুনঃ http://bit.ly/2L8Wv7r

জাভা প্রোগ্রামিং
লেখকঃ আ ন ম বজলুর রহমান

বইটিতে মোট ১৫টি অধ্যায়ে বিভাজন করে জাভার প্রাথমিক বিষয়বস্তু সম্পর্কে যে আলোচনা করা হয়েছে, তা প্রারম্ভিক পর্যায়ের জাভা শিক্ষার্থীর জন্যে অত্যন্ত উপযোগী। বর্তমানে মোবাইলে ওয়েব ব্যবহারকারী বেড়ে যাওয়ার কারনে জাভা প্রোগ্রামিংয়ের চাহিদাও অনেক বেড়েছে। এই জাভা প্রোগ্রামিংয়ের শিখার পরিকল্পনা করলে এ বইটি আপনার সেলফে রাখা উচিত।

বইটি পেতে ভিজিট করুনঃ http://bit.ly/2Uw4pvV


প্রোগ্রামিংয়ের বলদ টু বস
লেখকঃ ঝংকার মাহবুব
যারা ভয়, কনফিউশন, ফাঁকিবাজি প্রোগ্রামিং শিখা শুরু করতে সাহস পায়না। কিংবা অল্পএকটু শিখে আর মজা পায় না। অথবা যখনই শিখতে যায়, তখনই প্রোগ্রামিংয়ের মাথা মুন্ডু কিছুই বুঝতে না পেরে লেজ গুটিয়ে পালায়।। তাদেরকে মজায় মাজায়, আড্ডার ছলে প্রোগ্রামিং শিখানো হয়েছে। যাতে চাকরির বাজারে, চাল্লুদের মাজারে, অবহেলিতরা, বলদ থেকে ডাইরেক্ট বস হয়ে যেতে পারে। এ বইটিও জনপ্রিয় লেখক ঝংকার মাহবুবের অন্যতম সেরা একটি বই।

বইটি পেতে ভিজিট করুনঃ http://bit.ly/2EfyKJR